
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি(নিউরোলজী)
স্নায়ু রোগ, প্যারালাইসিস, স্ট্রোক, মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেইন ও মৃগী রোগ বিশেষজ্ঞ
কনসালটেন্ট নিউরোলজী বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
যে সকল রোগের চিকিৎসা সহকারি অধ্যাপক ডাঃ এমদাদুল হক দিয়ে থাকেন:
- স্ট্রোক।
- মাথা ব্যাথা সাইনোসাইটিস।
- মুখ বেকে যাওয়া।
- মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ।
- মাথায় অস্বস্থি।
- হাত, পা ঝিন ঝিন করা ও অবশতা, হাত পা কাঁপা।
- ঘাড়, কোমর ও মেরুদণ্ডের ব্যাথা।
- হাত ও পায়ের শক্তি কমে যাওয়া।
- খিচুনি/মৃগী রোগ।
- টেনশন/অনিদ্রা।
- স্নায়ু ও শিরার রোগজনীত সমস্যা।
- হাত ও পা-এর মাংসপেশী শুকিয়ে যাওয়া।
- উচ্চ রক্তচাপ।
- নিম্ন রক্তচাপ।
- বুকে ব্যাথা।
- বুক ধড়ফড় করা।
- পেটে সমস্যা।
- রক্তে অতিরিক্ত চর্বি (Hyperlipidemia)।
- অকারণ দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, বমিভাব ও বমি হওয়া।
- ঘন ঘন জ্বর আসা/কাঁপুনী দিয়ে জ্বর আসা।
- প্রস্রাবে ইনফেকশন।
- প্রেসার ওঠানামা।
- প্রেসার ওঠানামা।
- মেডিসিন জনিত সব ধরনের রোগ বিশেষজ্ঞ।
চেম্বার
ডেল্টা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজশাহী
সময়ঃ শনি থেকে বৃহস্পতি ০২ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত
সিরিয়াল দিতে কল করুন: 01306512859
সময়: বিকাল ৭:০০টা- রাত ১০টা ( 𝙍𝙖𝙟𝙨𝙝𝙖𝙝𝙞 𝘼𝙡𝙡 𝘿𝙤𝙘𝙩𝙤𝙧𝙨)
নতুন রোগী: ৭০০ টাকা
পুরাতন রোগী: ৫০০ টাকা
(দুই মাসের মধ্যে)
যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে ও সেবা
পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
𝙍𝙖𝙟𝙨𝙝𝙖𝙝𝙞 𝘼𝙡𝙡 𝘿𝙤𝙘𝙩𝙤𝙧𝙨 : 01306512859
ডাঃ মোঃ এমদাদুল হক – নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
ডাঃ মোঃ এমদাদুল হক একজন নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, যিনি মস্তিষ্ক, স্নায়ু, স্পাইনাল কর্ড এবং স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় সেবা প্রদান করেন। নিউরোলজিক্যাল সমস্যাগুলো অনেক সময় ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়, আবার কিছু ক্ষেত্রে হঠাৎ গুরুতর লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তাই দীর্ঘস্থায়ী বা অস্বাভাবিক স্নায়বিক উপসর্গ দেখা দিলে একজন অভিজ্ঞ নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মানবদেহের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র শরীরের নড়াচড়া, অনুভূতি, স্মৃতি, কথা বলা, চিন্তা করা এবং বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এই ব্যবস্থার কোনো অংশে সমস্যা হলে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, হাত-পা অবশ হওয়া, খিঁচুনি, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, চলাফেরায় সমস্যা কিংবা শরীরের একপাশ দুর্বল হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যার সঠিক কারণ নির্ণয় করে উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কী ধরনের রোগের চিকিৎসা করেন?
নিউরো মেডিসিনের আওতায় মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা হয়। রোগীর উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে চিকিৎসা পরিকল্পনা করা হয়।
ডাঃ মোঃ এমদাদুল হকের কাছে নিচের বিভিন্ন ধরনের নিউরোলজিক্যাল সমস্যার জন্য পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে—
- দীর্ঘস্থায়ী বা বারবার হওয়া মাথাব্যথা
- মাইগ্রেন
- মাথা ঘোরা ও ভারসাম্যের সমস্যা
- স্ট্রোক
- মৃগী ও খিঁচুনি
- হাত-পা অবশ বা ঝিনঝিন করা
- শরীরের কোনো অংশ দুর্বল হয়ে যাওয়া
- স্নায়ুজনিত ব্যথা
- স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের সমস্যা
- পারকিনসন্স রোগের লক্ষণ
- ঘাড় ও কোমর থেকে স্নায়ুতে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা
- চলাফেরায় সমন্বয়ের সমস্যা
- অন্যান্য নিউরোলজিক্যাল জটিলতা
স্ট্রোকের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা
স্ট্রোক একটি গুরুতর নিউরোলজিক্যাল সমস্যা, যেখানে মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়া বা রক্তক্ষরণের কারণে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। হঠাৎ মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া, হঠাৎ দৃষ্টির সমস্যা কিংবা হাঁটতে অসুবিধা হওয়া স্ট্রোকের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।
স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত। পরবর্তীতে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসা, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এবং পুনরায় স্ট্রোক প্রতিরোধের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হতে পারে।
মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন
মাথাব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা হলেও সব মাথাব্যথার কারণ এক নয়। মাইগ্রেন, টেনশন হেডেক, সাইনাস-সম্পর্কিত সমস্যা কিংবা অন্যান্য নিউরোলজিক্যাল কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে মাথাব্যথা থাকলে বা মাথাব্যথার ধরন হঠাৎ পরিবর্তিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
মাথাব্যথার প্রকৃতি, কতদিন ধরে হচ্ছে, কত ঘন ঘন হচ্ছে এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো উপসর্গ রয়েছে কি না—এসব তথ্যের ভিত্তিতে রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করা হয়। প্রয়োজনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কারণ নিশ্চিত করা হতে পারে।
মৃগী ও খিঁচুনির চিকিৎসা
মৃগী একটি দীর্ঘমেয়াদি স্নায়বিক রোগ, যার অন্যতম প্রধান লক্ষণ খিঁচুনি। তবে সব ধরনের খিঁচুনি মৃগী নয়। খিঁচুনির কারণ ও ধরন নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়মিত চিকিৎসা ও ফলোআপের মাধ্যমে অনেক রোগীর খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নির্ধারিত ওষুধ বন্ধ করা বা ডোজ পরিবর্তন করা উচিত নয়।
হাত-পা অবশ ও ঝিনঝিন করার সমস্যা
হাত-পা অবশ হওয়া, ঝিনঝিন করা বা অনুভূতি কমে যাওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। স্নায়ুতে চাপ, ডায়াবেটিস-সম্পর্কিত নিউরোপ্যাথি, মেরুদণ্ডের সমস্যা, ভিটামিনের ঘাটতি কিংবা অন্যান্য নিউরোলজিক্যাল কারণেও এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষ করে হঠাৎ শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে গেলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
পারকিনসন্স ও বয়সজনিত স্নায়ুর সমস্যা
বয়স বাড়ার সঙ্গে কিছু মানুষের হাত কাঁপা, চলাফেরার গতি কমে যাওয়া, শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া বা দৈনন্দিন কাজ করতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এগুলোকে শুধুমাত্র বয়সের স্বাভাবিক পরিবর্তন মনে না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
পারকিনসন্সসহ বিভিন্ন নিউরোডিজেনারেটিভ রোগের ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা করা যায়।
রোগ নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা
নিউরোলজিক্যাল রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস ও শারীরিক পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগীর উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসক প্রয়োজনে MRI, CT Scan, EEG, EMG, NCV, রক্ত পরীক্ষা অথবা অন্যান্য পরীক্ষা করার পরামর্শ দিতে পারেন।
তবে প্রত্যেক রোগীর জন্য সব পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। রোগীর সমস্যা ও চিকিৎসকের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্বাচন করা হয়।
কেন নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ?
অনেক স্নায়বিক রোগের লক্ষণ শুরুতে সাধারণ মনে হতে পারে। কিন্তু দীর্ঘদিন মাথাব্যথা, বারবার মাথা ঘোরা, অস্বাভাবিক খিঁচুনি, স্মৃতিশক্তির পরিবর্তন কিংবা হাত-পা অবশ হওয়ার মতো সমস্যাকে অবহেলা করা উচিত নয়।
সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলে রোগের কারণ শনাক্ত করা, উপযুক্ত চিকিৎসা শুরু করা এবং ভবিষ্যতের জটিলতা কমানোর সুযোগ বাড়ে। রোগীর উপসর্গ ও শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা পরিকল্পনা করাই নিউরোলজিক্যাল রোগ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আপনি বা আপনার পরিবারের কোনো সদস্য যদি মাথাব্যথা, মাইগ্রেন, স্ট্রোক, মৃগী, খিঁচুনি, হাত-পা অবশ হওয়া, স্নায়ুর ব্যথা, স্মৃতিশক্তির সমস্যা বা অন্য কোনো নিউরোলজিক্যাল সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে একজন নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাঃ মোঃ এমদাদুল হক নিউরোলজিক্যাল বিভিন্ন সমস্যার রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য রোগীদের পরামর্শ প্রদান করেন।




