
অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আখতার
এম.বি.বি.এস. বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এফসিপিএস (গাইনোকোলজি ও অবস্টেট্রিকস)
স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
গাইনিকোলজিক্যাল অনকোলজি ও সার্জারী (জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার)
গাইনিকোলজিক্যাল ল্যাপারোস্কপি বন্ধ্যাত্ব/ ইনফার্টিলিটি কলপোস্কপি
বিশেষ সেবা সমূহঃ
★গর্ভাবস্থায় পানি স্বল্পতার চিকিৎসা প্রদান
★বাচ্চা না হওয়ার কারন নির্নয় ও চিকিৎসা প্রদান
★জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের টিউমার অপারেশন
★পেট না কেটে ল্যাপারস্কপিক মেশিনের সাহায্যে গাইনী অপারেশন
★জরায়ু নালীর পরীক্ষা নিরীক্ষা
★D & C (ডি এন্ড সি)
★সঠিক স্থানে বাচ্চা না থাকার কারন নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রদান
★বন্ধ্যাত্বের কারন নির্ণয়ও যথাযথ চিকিৎসা প্রদান
★এন্ডোমেট্রিওসিস রোগের চিকিৎসা প্রদান
★জরায়ু কেটে ফেলা (হিস্টেরেকটমি)
★মহিলাদের ব্রেস্টের টিউমার অপারেশন
★জরায়ুর বিভিন্ন সমস্যা, ডিম্বাশয়ের সিস্ট, টিউমার, জরায়ু টিউব চিকন/বন্ধ হয়ে যাওয়া এর চিকিৎসা প্রদান
★মাতৃগর্ভে সন্তানের ভূমিষ্ট হওয়ার পূর্বে ও পরের অবস্থান সংক্রান্ত চিকিৎসা প্রদান
★মহিলাদের পাইলস, পায়ুফথের ফিসার এর সার্জিক্যাল চিকিৎসা প্রদান
অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আখতার
চেম্বার
এ্যাপেলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল, লক্ষীপুর, রাজশাহী।
সময়: ১০ টা থেকে
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার
সময়. ১২ টা থেকে
বিস্তারিত জানতে কল করুন: 01306512859
ভিজিট ফি: ১০০০ টাকা
২য় ভিজিট: ৮০০ টাকা
রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে
𝙍𝙖𝙟𝙨𝙝𝙖𝙝𝙞 𝘼𝙡𝙡 𝘿𝙤𝙘𝙩𝙤𝙧𝙨 সাথে যোগাযোগ করুন 01306512859
অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আক্তার | স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ | রাজশাহী
অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আক্তার রাজশাহীর একজন সুপরিচিত স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ (Gynecology & Obstetrics Specialist)। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নারীদের বিভিন্ন স্ত্রীরোগ, গর্ভাবস্থা সংক্রান্ত জটিলতা, মাতৃত্বকালীন পরিচর্যা এবং প্রসূতি চিকিৎসায় দক্ষতার সঙ্গে সেবা প্রদান করে আসছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা, রোগীকে আন্তরিকভাবে সময় দিয়ে পরামর্শ প্রদান এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণের কারণে তিনি অসংখ্য রোগীর আস্থাভাজন চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত।
নারীর স্বাস্থ্য জীবনের প্রতিটি ধাপে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কৈশোর, বিবাহ, মাতৃত্ব এবং মেনোপজ—প্রতিটি পর্যায়েই সঠিক চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রয়োজন হয়। এসব বিষয় বিবেচনা করে অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আক্তার রোগীর শারীরিক অবস্থার পাশাপাশি মানসিক স্বস্তিকেও গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা প্রদান করেন।
যে সকল রোগের চিকিৎসা প্রদান করা হয়
অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আক্তারের তত্ত্বাবধানে নিম্নলিখিত সমস্যাগুলোর চিকিৎসা ও পরামর্শ গ্রহণ করা যায়—
- অনিয়মিত মাসিক
- অতিরিক্ত বা অল্প মাসিক রক্তপাত
- মাসিকের সময় তীব্র ব্যথা
- বন্ধ্যাত্ব (Infertility)
- গর্ভধারণের পূর্ব প্রস্তুতি
- গর্ভাবস্থার নিয়মিত চেকআপ
- উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা
- প্রসবপূর্ব ও প্রসবপরবর্তী চিকিৎসা
- সিজারিয়ান ও নরমাল ডেলিভারির পরামর্শ
- ডিম্বাশয়ের সিস্ট
- জরায়ুর ফাইব্রয়েড
- PCOS (Polycystic Ovary Syndrome)
- এন্ডোমেট্রিওসিস
- যোনিপথের সংক্রমণ
- সাদা স্রাব
- জরায়ু নিচে নেমে আসা (Uterine Prolapse)
- মেনোপজ-পরবর্তী স্বাস্থ্য সমস্যা
- পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ পরামর্শ
- নারীদের হরমোনজনিত বিভিন্ন সমস্যা
গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চিকিৎসার গুরুত্ব



একজন গর্ভবতী মায়ের সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থার প্রতিটি ধাপে মা ও শিশুর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। সময়মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে অনেক জটিলতা শুরুতেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আক্তার গর্ভাবস্থার শুরু থেকে সন্তান জন্মদান পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে রোগীকে যথাযথ পরামর্শ প্রদান করেন। প্রয়োজন অনুযায়ী আল্ট্রাসনোগ্রাফি, রক্ত পরীক্ষা, ডায়াবেটিস স্ক্রিনিং, রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
অনিয়মিত মাসিকের কারণ ও চিকিৎসা
বর্তমান সময়ে অনেক নারী অনিয়মিত মাসিক সমস্যায় ভুগছেন। এর পেছনে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, PCOS, থাইরয়েডের সমস্যা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ কিংবা জীবনযাত্রার পরিবর্তন দায়ী হতে পারে।
সমস্যার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করে উপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব। তাই দীর্ঘদিন ধরে মাসিক অনিয়মিত থাকলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
PCOS সম্পর্কে সচেতনতা
PCOS বর্তমানে নারীদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা। এর ফলে অনিয়মিত মাসিক, ওজন বৃদ্ধি, মুখে ব্রণ, অতিরিক্ত লোম গজানো এবং গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণের মাধ্যমে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা



এক বছর নিয়মিত দাম্পত্য জীবনযাপনের পরও সন্তান না হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বন্ধ্যাত্বের কারণ শুধু নারীর নয়, পুরুষের ক্ষেত্রেও থাকতে পারে।
অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আক্তার রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে বন্ধ্যাত্বের কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা প্রদান করেন।
জরায়ুর ফাইব্রয়েড ও ডিম্বাশয়ের সিস্ট
অনেক নারীর জরায়ুতে ফাইব্রয়েড বা ডিম্বাশয়ে সিস্ট থাকলেও শুরুতে কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত রক্তপাত, তলপেটে ব্যথা বা গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে।
সঠিক সময়ে আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করলে এসব সমস্যার কার্যকর চিকিৎসা সম্ভব।
মেনোপজকালীন চিকিৎসা
৪৫ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে অধিকাংশ নারীর মেনোপজ হয়। এ সময় হট ফ্ল্যাশ, ঘুমের সমস্যা, মেজাজের পরিবর্তন, হাড় ক্ষয়সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাত্রার পরিবর্তন, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা মেনোপজ-পরবর্তী সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসা
অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আক্তার রোগীর সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শুনে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন। রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন এবং অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা বা ওষুধ এড়িয়ে যুক্তিসংগত চিকিৎসা প্রদানে গুরুত্ব দেন।
তিনি রোগীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, মাতৃস্বাস্থ্য রক্ষা এবং নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার বিষয়ে উৎসাহিত করেন।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন?
নিম্নোক্ত লক্ষণগুলোর যেকোনোটি দেখা দিলে দ্রুত একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত—
- দীর্ঘদিন অনিয়মিত মাসিক
- অতিরিক্ত রক্তপাত
- তলপেটে তীব্র ব্যথা
- গর্ভাবস্থায় রক্তপাত
- গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ
- ভ্রূণের নড়াচড়া কমে যাওয়া
- দীর্ঘদিন সাদা স্রাব
- সন্তান ধারণে সমস্যা
- মেনোপজের পর পুনরায় রক্তপাত
কেন অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আক্তারকে নির্বাচন করবেন?
- দীর্ঘদিনের চিকিৎসা অভিজ্ঞতা
- নারীদের স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ দক্ষতা
- মাতৃত্বকালীন পূর্ণাঙ্গ পরিচর্যা
- রোগীকে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে পরামর্শ প্রদান
- আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ
- রোগীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার প্রতি গুরুত্ব
- আন্তরিক ও মানবিক চিকিৎসাসেবা
চেম্বারে যাওয়ার আগে
চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময় পূর্বের প্রেসক্রিপশন, পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট, আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্ট এবং চলমান ওষুধের তালিকা সঙ্গে নিয়ে গেলে চিকিৎসা আরও কার্যকর হয়।
উপসংহার
অধ্যাপক ডাঃ হাসিনা আক্তার রাজশাহীর একজন অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ। নারীদের বিভিন্ন স্ত্রীরোগ, গর্ভাবস্থা, প্রসবকালীন জটিলতা, বন্ধ্যাত্ব এবং মাতৃত্বকালীন পরিচর্যায় তিনি আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান করে আসছেন। আপনি বা আপনার পরিবারের কোনো সদস্য যদি নারীদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে সময়মতো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা সুস্থ জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।




